অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়

অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় হচ্ছে ২ টি। একটি হচ্ছে ব্যবসা আর অন্যটি হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। যেহেতু আপনি নতুন তাই আপনার জন্য উত্তম পন্থা হবে ফ্রিল্যান্সিং করা। পরবর্তীতে যখন অনলাইন সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন তখন আপনি আপনার নিজের ব্যাবসা অনলাইনে দাড় করাতে পারবেন।

আজকের ব্লগের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করার উপায়, কি কি উপায়ে অনালাইন থেকে ইনকাম করা যায় এর সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।

ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টি এমন একটি শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে যা বলার ভাষা রাখে না। ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করে অনেকেই তাদের ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করছে। যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে আগ্রহী বা যারা ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে নতুন তারা অনলাইনে ইনকাম করার উপায় গুলো জানে না। কি কি উপায়ে অনলাইনে ইনকাম করা যায় এই বিষয় গুলো যদি কেউ জানতে পারে, তাহলে একটু হলেও আত্মবিশ্বাস আসবে যে অনলাইনে ইনকাম করার উপায় গুলো সে জানে। পরবর্তী্তে অনলাইনে ইনকাম করার ক্যাটাগরি থেকে তার পছন্দের ক্যাটাগরিতে দক্ষতা অর্জন করে অনলাইনে কাজ করা শুরু করতে পারবে।

এখন মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ফ্রিল্যান্সিং টা কি? যেহেতু আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন সেক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং এর মানে টা তো আপনাকে জানতেই হবে। আজকের ব্লগের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং কী, ফ্রিল্যান্সিং কি হালাল নাকি হারাম, অনলাইনে ইনকাম করার উপায় এবং কি কি উপায়ে অনলাইনে ইনকাম করা যায় এর সকল বিষয় তুলে ধরব।

ফ্রিল্যান্সিং কি

সহজ ভাষায় বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে মুক্ত পেশা। যেখানে ইচ্ছা সেখানে বসে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনার প্রয়োজন কাজের দক্ষতা, ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট কানেকশন। এগুলো যদি আপনার থাকে তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য প্রস্তুত। ফ্রিল্যান্সিং করার কোনো নিদ্রিস্ট সময় নেই। আপনার যখন মন চাইবে তখন কাজ করবেন যখন চাইবে না তখন করবেন না। মোট কথা আপনার উপর কারো হস্তক্ষেপ থাকবে না।

ফ্রিল্যান্সিং কি হালাল নাকি হারাম

ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরে আপনি ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করতে চাচ্ছেন। কিন্ত এই ফ্রিল্যান্সিং হালাল নাকি হারাম এটা জানা অত্যন্ত জরুরী। প্রতিটি কাজেই হারাম এবং হালাল এর অবস্থান আছে। বাস্তব জীবনে যেমন হালাল হারাম এর সংশ্লিষ্ট আছে। ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যেও আছে। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে হালাল কর্মের মাধ্যমে যদি অর্থ উপার্জন করেন তাহলে সেটা হালাল। হোক সেটা ফ্রিল্যান্সিং কিংবা চাকরি অথবা ব্যাবসা।

অনলাইনে ইনকাম করার পূর্বশর্ত

অনলাইনে ইনকাম করার অনেক উপায় রয়েছে। অনেকে তাদের পছন্দের ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করে অনেক টাকা আয় করছে। এখন আপনি যদি কাউকে দেখে মনে করেন ও তো এই কাজ করে অনেক টাকা ইনকাম করছে। তাহলে আমিও এই কাজ করব। আবার কিছু দিন পর অন্য আরেক জনকে দেখে বলবেন এই লোক তো এটা কাজ করে তার থেকে বেশি আয় করছে। তাহলে ওইটা বাদ দিয়ে এইটা শিখবো। এই রকম চিন্তা-ভাবনা ভুলেও করবেন না।

যদি আজকে এক ক্যাটাগরি কালকে অন্য ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করেন তাহলে কোন দিন সফলতা অর্জন করতে পারবেন না। অনলাইনে সকল ক্যাটাগরির চাহিদা আছে। তাই সর্বপ্রথম সবগুলো ক্যাটাগরি সম্পর্কে মোটামুটি ধারাণা নিন, তারপর ভাবুন আপনার কোন ক্যাটাগরি ভালো লাগে, কোনটার প্রতি আকর্ষণ বেশি। ক্যাটাগরি বাচাই করা হয়ে গেলে এটার উপর কাজ শিখে দক্ষতা অর্জন করুন। তারপর মাঠে নামবেন!

ডিজিটাল মার্কেটিং

ফ্রিল্যান্সিং এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ এবং জনপ্রিয় সেক্টর হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কেটিং মানে কোন কোম্পানির পণ্য বা সেবা অনলাইনের মাধ্যমে প্রচার করাকে বুঝায়। যার ফলে সেই কোম্পানির পণ্য বেশি বিক্রি হবে, কোম্পানির পরিচিতি বাড়বে এবং কোম্পানির পরিচিতি বাড়ার সাথে সাথে একটা ব্র্যান্ডে এ পরিণত হবে। 

ডিজিটাল মার্কেটিং করার অনেক ধাপ রয়েছে। এর এই ধাপ গুলো অ্যাপ্লাই করে একজন এক্সপার্ট মার্কেটার ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকে। তাহলে চলুন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপ সমূহ জেনে নেই।

  • সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
  • লোকাল এসইও
  • মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি
  • সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • কনটেন্ট রাইটিং
  • ফেসবুক মার্কেটিং
  • ইউটিউব মার্কেটিং
  • টুইটার মার্কেটিং
  • ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং
  • প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং
  • সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 

এখন প্রশ্ন হতে পারে এগুলোর মধ্যে কোনটার কাজ কি? তাহলে চলুন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপ সমূহ এবং এগুলোর চাহিদা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যেটা সঠিক ভাবে ব্যাবহার করে যে কোন ওয়েব সাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর টপ রেংকিং এ নিয়ে আসা যায়। যার ফলে ওয়েবসাইটে অনেক ভিজিটর পাওয়া যায়। গুগলে কয়েক কোটি ওয়েবসাইট রয়েছে। আর প্রতিটি ওয়েবসাইটের মালিক চাই তাদের ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন রেংকিং এ সবার প্রথমে থাকুক।

সার্চ ইঞ্জিন এর টপ রেংকিং এ থাকার ধারাবাহিকতায় ওয়েবসাইট ব্যাবহারকারীদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা সব সময় লেগেই থাকে। আর এই প্রতিযোগিতা কখনোই শেষ হবে না। যদি কেউ ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর টপ রেংকিং এ রাখতে চায় তাহলে তাকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করতেই হবে। যদি না করে তাহলে সার্চ ইঞ্জিন এ ওয়েবসাইটের রেংকিং হারিয়ে যাবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর চাহিদা সম্পর্কে আশা করি বলা লাগবে না, ইতিমধ্যেই বুঝতে পেরেছেন। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরি করে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর সার্ভিস সেল করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

লোকাল এসইও

লোকাল এসইও এর পূর্ণ রুপ হলো লোকাল সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। লোকাল এসইও এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড কোনো কিছুকে সার্চ ইঞ্জিন রেংকিং এ নিয়ে আসা হয়। কিন্তু লোকাল এসইও এর কাজটা একটু ব্যাতিক্রম।

লোকাল এসইও এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট স্থান, পণ্য অথবা নির্দিষ্ট কাস্টমারকে কেন্দ্র করে সার্চ ইঞ্জিন রেংকে নিয়ে আসা হয়। প্রতিটি লোকাল ব্যাবসায় লোকাল এসইও করতে হয়। কারণ তাদের এরিয়ায় জনপ্রিয়তা পাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মনে করেন যে লোকেশনে আপনার একটি রেস্টুরেন্ট আছে, দূরের মানুষ আপনার রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে জানে না। কিন্তু সে যদি আপনার লোকেশন ধরে সার্চ করে যে এই জায়গার সবচেয়ে ভালো রেস্টুরেন্ট। তাহলে কিন্তু আপনার রেস্টুরেন্ট ই আসবে। লোকাল এসইও এর মোট কথা হচ্ছে কোন কিছুকে টার্গেট করে কাজ করা।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর চাহিদা যেমন লোকাল এসইও এর চাহিদা ঠিক তেমনই। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে লোকাল এসইও এর সার্ভিস সেল করতে পারবেন। দেশিও কোম্পানির হয়ে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া যদি নিজের ব্যাবসা দাঁড় করাতে চান তাহলে তো কোন কথাই নেই।

মার্কেটিং স্ট্রাটেজি শিখে আয় করুন

বর্তমান সময়ে প্রতিটি কোম্পানির জন্য মার্কেটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক কোম্পানি রয়েছে মার্কেটিং করে বিশাল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কিন্তু তাদের পণ্যের গুণগত মান, মূল্য, কাঠামো ঠিক থাকা স্বত্বেও কেন তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে? এর প্রধান কারণ হচ্ছে মার্কেটিং স্ট্রাটেজি তৈরি না করা। উদাহরণ হিসেবে বলি, যদি ছেলেদের পোশাক মেয়েদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয় তাহলে এই মার্কেটিং করে কোন লাভ হবে? এইজন্য সুপরিকল্পিত মার্কেটিং স্ট্রাটেজির গুরুত্ব অপরিসীম।

অনলাইনে যারা নতুন ব্যাবসা করতে এসেছে তাদের মধ্যে অনেকে সঠিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি না করার কারণে ঝড়ে পড়ছে। আবার অনেকে সঠিভাবে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি অবলম্বন করে অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে। যারা ব্যাবসায় নতুন বা আগে থেকেই ব্যাবসা করতেছে তারা সবসময় একজন মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এক্সপার্ট ব্যাক্তি খোঁজে থাকে।

যদি মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজির উপর দক্ষতা অর্জন করেন তাহলে আপনি দেশিও কোম্পানির সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস তো আছেই। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে আপনি একাধিক কোম্পানির সাথে কাজ করতে পারবেন। এটা হচ্ছে প্লাস পয়েন্ট।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং মানে সার্চ ইঞ্জিন এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিক নিয়ে আসাকে বুঝায়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এবং সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) দুটি আলাদা বিষয়। সঠিকভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করলে ওয়েবসাইটে ফ্রিতেই ট্র্যাফিক চলে আসবে। কিন্তু সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ফ্রিতে ট্র্যাফিক বা ভিসিটর নিয়ে আসতে পারবেন না। এর জন্য টকা পে করতে হবে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করে যদি ফ্রিতেই ওয়েবসাইটে ভিসিটর নিয়ে আসা যায় তাহলে টাকা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) করে ওয়েবসাইটে ভিসিটর নিয়ে আসার কি দরকার? এর উত্তর হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) করে ওয়েবসাইটে ভিসিটর নিয়ে আসাটা সময় সাপেক্ষিক ব্যাপার। কিন্তু যদি সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) করেন তাহলে সাথে সাথে ভিসিটর পাবেন। যদি ওয়েবসাইটে প্রোডাক্ট সেল করতে চান অথবা নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন সেক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং করতে পারেন।

অনেই রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) এর পরিপূর্ণ এক্সপার্ট না। অতচ তার একটি ব্যাবসা আছে। যে কারণে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) এর পরিপূর্ণ দক্ষতা সম্পূর্ণ ব্যাক্তি খোজে থাকে। বড় বড় কোম্পানি রয়েছে যারা মার্কেটিং করার জন্য এক্সপার্ট ব্যাক্তি নিয়োগ করে থাকে। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং এর মার্কেটপ্লেস গুলোতে কাজ করে আয় করতে পারবেন।

ইমেইল মার্কেটিং করে আয়

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি সরাসরি যে কোন পন্য বা সার্ভিস কাস্টমারের কাছে অফার করতে পারবেন। অর্থাৎ কাস্টমারের ইমেইলে পণ্য বা সার্ভিস পাঠানোকে বুঝায়। আপনি হয়তো লক্ষ্য করে থাকবেন আপনার মেইলে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রমোশনাল ইমেইল আসে। সেই ইমেল গুলোতে বিভিন্ন রকমের অফার থাকে। বিভিন্ন প্রোডাক্ট, ডিসকাউন্ট অফার, গিভওয়ে ইত্যাদি। এগুলো বিভিন্ন কোম্পানি বা ব্যাক্তি সেলস ফানেল তৈরি করে পাঠিয়ে থাকে। যার ফলে পন্যের সেল বাড়ে।

ইমেইল মার্কেটিং করে পন্যের সেল বাড়ার সাথে সাথে আপনার পরিচিতিও বেড়ে যাবে। মিটাআপ আইটির কথা একটু ভাবেন। যদি ৫০০০০ ইমেইলে মিটাআপ আইটি সম্পর্কে বিস্তারিত লিখে পাঠায় তাহলে কি পরিচিতি পাওয়া যাবে না? হ্যাঁ! অবশ্যই যাবে। যদিও ৫০০০০ ইমেইল থেকে সবাই ভিসিট করবে না, যাদের ভালো লাগবে তারাই মিটআপ আইটি ওয়েবসাইট ভিসিট করবে। তবে যারা ভিসিট করবে না তারা মিটআপ আইটির নামটা কিন্তু অবশ্যই জানবে। পরবর্তীতে যদি কোন সময় মিটআপ আইটির পোষ্ট সামনে পেয়ে যায় তাহলে সে কিন্তু অনায়াসেই ভিসিট করবে।

ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ শিখতে পারলে এর চাহিদাও অনেক। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেখানে অজস্র কাজ পাওয়া যায়। তাছাড়া আপনি যদি অন্যের ইমেইলে আপনার সার্ভিস সমূহ লিখে ইমেইল করেন, তাহলে আপনার সম্পর্কে তারা  জানতে পারবে। সবথেকে মজার বিষয় হচ্ছে আপনি নিজের জন্য ইমেইল মার্কেটিং করলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের বাহিরেই বায়ার পেয়ে যাবেন।

কনটেন্ট রাইটিং করে আয় করার উপায়

কোন একটি বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে তার উপর বিস্তারিত লিখাকে মূলত কনটেন্ট বা আর্টিকেল বলে। প্রতিটি কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখার পর ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা হয়। যার ফলে সবাই দেখতে পারে। আর এই কনটেন্ট বা আর্টিকেল হল প্রতিটি ওয়েবসাইটের প্রাণ। যদি ওয়েবসাইটে কোন কনন্টেন্ট না থাকে তাহলে সেই ওয়েবসাইটা আমরা কেন ভিসিট করব? তাই কনটেন্ট ছাড়া সকল ওয়েবসাইট মূল্যহীন।

এখন প্রশ্ন হতে পারে, কোন কিছু লিখাই যদি কনন্টেন্ট হয়, তাহলে সমস্যা কি? আজকে থেকেই লিখালিখি করে ইনকাম করা শুরু করে দিব। আমাকে আর ঠেকাই কে? ভাই থামেন! এত পাগল হইলে চলে? একটু চিন্তা করেন এভাবেই যদি কনন্টেন্ট লিখা শুরু করে দেন, যে আপনাকে কাজ দিবে সেও তো এভাবে লিখতে পারে। তাহলে আপনাকে কেন কাজ দিবে? একটা কথা বলেছিলাম কনটেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের প্রাণ। আর এই কনটেন্টটা কতটুক কোয়ালিটিফুল হলে ওয়েবসাইটের প্রাণ হতে পারে? উত্তর টা খুঁজে বের করবেন? প্রতিটি ওয়েবসাইটে কনটেন্টকে সর্বোচ্চ প্রাদান্য দেওয়া হয়। তাই এসইও (SEO) অপটিমাইজ সহ যে কোন কনটেন্ট বা আর্টিকেল লিখতে হবে।

যদি এক্সপার্ট কনটেন্ট রাইটার হতে পারেন তাহলে সব জায়গায় সুযোগ সুবিধা পাবেন। যেহেতু কন্টেন্ট ওয়েবসাইটের প্রাণ সেক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের প্রাণ বাঁচাতে আপনাকে তো লাগবেই। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লিখার সার্ভিস লিখে আয় করতে পারবেন।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আয়

ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য বা সার্ভিস প্রচার প্রচারণা করাকে ফেসবুক মার্কেটিং বলে। ফেসবুক বর্তমান সময়ে তুমুল জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ার কারণে সবাই তাদের ব্যাবসাকে ফেসবুকে প্রচার করে থাকে। ফেসবুকের ব্যাবহার কারীর সংখ্যা অধিকতর বাড়ার কারণে প্রতিটি ব্যাবসায়ী ফেসবুক মার্কেটিং করে তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাচ্ছে। যার কারণে অধিকাংশ ব্যাবসায়ী ফেসবুককে তাদের ব্যাবসার হাতিয়ার বলে মনে করে।

যারা ফেসবুক ব্যাবহার করে তাদের মধ্যে অনেকেই জানে না ফেসবুককে কয়টি পারপাসে ব্যাবহার করা যায়। প্রতিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেই দুটি পারপাসে ব্যাবহার করা যায়। তেমনি ফেসবুকেও এই সুবিধাটি রয়েছে। সুবিধা গুলো হল পার্সোনাল এবং বিজনেস পারপাস। আমরা পার্সোনাল কাজের জন্য ফেসবুক ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু যারা বিজনেস করতে আসে তারা বিজনেস পারপাসে ফেসবুক ব্যাবহার করে। পার্সোনাল এবং বিজনেস এর ফেসবুক টুলস গুলো কিন্তু ব্যাতিক্রম। যারা পার্সোনাল পারপাসে ব্যাবহার করে তারা বিজনেস এর টুলস গুলো হয়তো জানেই না। তাই ফেসবুক মার্কেটিং করতে হলে বিজনেস পারপাসের সকল টুলস গুলো জানতে হবে।

ফেসবুক মার্কেটিং এর চাহিদার কথা বলতে গেলে যদি ফেসবুক বন্ধ হয়ে যায় তাহলে ফেসবুক মার্কেটিং এর চাহিদা থাকবে না। ফেসবুক কখনোই চাইবে না এটা বন্ধ হয়ে যাক। ব্যাবসায়ীরা ফেসবুককে তাদের ব্যাবসার হাতিয়ার হিসেবে গণ্য করে তাই ফেসবুক এর কথা আর বলব না।

ইউটিউব মার্কেটিং করে অনালাইনে আয় করুন

ইউটিউব মার্কেটিং বলতে ভিডিও মার্কেটিং কে বুঝায়। কারণ ইউটিউব যেহেতু একটি ভিডিও ফ্লাটফরম সে জন্য ইউটিবে মার্কেটিং করতে হলে ভিডিওর মাধ্যমে করতে হবে। যে কোন প্রোডাক্টকে মনোমুগ্ধকর ভাবে ভিডিওতে উপস্থাপন করে ইউটিউবে পাবলিশ করতে হবে। ভিডিওটি যারা দেখবে তাদের মধ্যে যদি কেউ সেই প্রোডাক্ট পছন্দ করে তাহলে সেটা কিনবে। একটু ভাবেন যদি একটি ভিডিও ১০ লাখ মানুষ দেখে তাহলে সেখান থেকে কি কাস্টমার পাওয়া যাবে না? হ্যাঁ! অবশ্যই পাওয়া যাবে।

কোন একটা বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য সবাই গুগলে সার্চ করে। তাই সার্চ করে তথ্য বের করার স্থান হিসেবে গুগল প্রথমে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইউটিউব। তাছাড়া গুগল থেকে মানুষ বেশি সময় ব্যায় করে ইউটিউবে। অসংখ্য ভিডিওর সমাহার এর মধ্যে সবাই ডুবে থাকে। আর এই কারণে ইউটিউবে ভিডিও মার্কেটিং করে কাস্টমারের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া যায়। একটা ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে পাবলিশ করে দিলেই ইউটিউব মার্কেটিং বলে না। ভিডিওটা সবার কাছে পৌঁছানোর মাধ্যমটাও কিন্তু এর অন্তর্ভুক্ত। আর কিভাবে পৌঁছাবেন সেটাই জানা হচ্ছে মার্কেটিং এর কৌশল।

ইউটিউব মার্কেটিং এর চাহিদা ব্যাপক। কারণ প্রতিটি ব্যাবসায়ী তাদের পণ্য প্রচার করার পাশা পাশি অনেকেই ইউটিবার হতে চায়। যার কারণে ইউটিউব এর চাহিদা অনেক বেশি। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ইউটিউব মার্কেটিং এর সার্ভিস সেল করার সুযোগ রয়েছে।

টুইটার মার্কেটিং শিখে টাকা ইনকাম করুন

টুইটার এর মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা করাকে টুইটার মার্কেটিং বলা হয়। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে টুইটার এর চাহিদা অনেক। ফেসবুক, ইউটিউব এর মতোই টুইটারে ব্যাবসায়ীরা মার্কেটিং করে থাকে। তবে ফেসবুক, ইউটিউব থেকে টুইটার একটু ব্যাতিক্রম। টুইটারে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। টুইটারে ১৪০ ক্যারেক্টার এর বেশি শব্দ লিখা যায় না। তবে ছবি এবং ভিডিও ব্যাবহার করা যায়।

টুইটারের সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে টুইটারে ফেসবুকের মত অজস্র ফেইক আইডি নেই। যার কারণে টুইটারে সঠিক কাস্টমারকে টার্গেটে করে কাজ করা যায়। তাই রিয়েল কাস্টমার খোঁজে পাওয়ার জন্য টুইটার শীর্ষ স্থানে রয়েছে।

টুইটার মার্কেটিং কাজের চাহিদা ব্যাপক। টুইটারে শাটআউট মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন। টুইটার মার্কেটিং করার মাধ্যমে আপনি বায়ার খোঁজে পাবেন। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস তো আছেই।

ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং শিখে আয় করুন

ইন্সটাগ্রামের ফ্লাটফরমের মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিসকে প্রচার প্রচারণা করাকে ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং বলে। ইন্সটাগ্রামের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। যে কারণে ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং করে অধিক কাস্টমার পাওয়া যায়। কাস্টমার এর পাশাপাশি ব্র্যান্ড তো আছেই।

যেহেতু প্রতিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেই দুটি পারপাসে ব্যাবহার করা যায়। সেক্ষেত্রে ইন্সটাগ্রাম তাদের থেকে ব্যাতিক্রম নয়। পার্সোনাল পারপাসে ব্যাবহার করার জন্য যারা ইন্সটাগ্রাম ব্যাবহার করবে তারা হবে ব্যাবসার পারপাসে ব্যাবহার কারীদের কাস্টমার। তাই ব্যাবসার পারপাসে যে টুলস গুলো রয়েছে সেগুলো ব্যাবহার করে কিভবে ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং করা হয় তা শিখতে হবে।

ইন্সটাগ্রাম মার্কেটিং করার মাধ্যমে নিজের জন্য বায়ার পেয়ে যাবেন। নিজের ব্যাবসা দাঁড় করাতে পারবেন। তাছাড়া ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করার সুযোগ তো আছেই।

প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং

প্রিন্টারেস্ট হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রিন্টারেস্ট ফ্লাটফর্মে প্রচার-প্রচারণা করাকে প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং বলে। প্রিন্টারেস্ট এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি হওয়ার কারণে প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং এর চাহিদাও বাড়ছে। 

প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং করার মাধ্যমে যেমন পণ্য প্রচার করা যায়। তেমনি ওয়েবসাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিসিটর পাওয়া যায়। তাছাড়া অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করেও এখান থেকে অনেক আয় করা যায়।

প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে অনেক ডিম্যান্ড রয়েছে। তাই প্রিন্টারেস্ট মার্কেটিং নিয়ে চাইলে কাজ করতে পারেন। নিজের কাজ করে, বায়ার এর কাজ করে অনেক অর্থ অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন।

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলতে সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফর্ম গুলোতে মার্কেটিং করাকে বুঝায়। সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম গুলো হচ্ছে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, প্রিন্টারেস্ট ইত্যাদি। যদিও এগুলো সম্পর্কে উপরে সংক্ষিপ্ত আকারে বলা আছে। যদি সোস্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর বিষয় গুলো সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন।

তাছাড়া আপনি চাইলে যে কোনো একটি বিষয়ের উপর কাজ শিখে ইনকাম করা শুরু করতে পারবেন। তবে সোস্যাল মিডিয়ার সকল প্লাটফর্ম এর মার্কেটিং জানা থাকলে বেশি সুবিধা পাবেন। 

ডিজিটাল মারকেটিং এ অন্তর্ভুক্ত এই ধাপ গুলো শিখে আপনি আপনার ক্যারিয়ার বিল্ড আপ করতে পারবেন। তবে সব সময় নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। কারণ ডিজিটাল মারকেটিং এর ক্যাটাগরিতে কাজ করতে হলে নতুন কিছু শিখতে হবে। তা না হলে অন্যদের থেকে পিছিয়ে পরতে হবে।

ডিজিটাল মারকেটিং ছাড়াও আরো অনেক উপায় রয়েছে অনলাইনে টাকা ইনকাম করার জন্য। আজকে আপনাদেরকে অনলাইন থেকে ইনকাম করার সকল মাধ্যম গুলো সম্পর্কে জানাব। নিচে আরো মাধ্যম উল্লেখ করা হয়েছ।

ব্লগিং করে আয়

ব্লগিং কে যদি সঙ্গায়িত করতে হয় তাহলে বলতে হবে ব্লগিং হচ্ছে একটি দিনলিপি। বিষয় ভিত্তিক কোন কিছুর উপর লিখাকে ব্লগ বলে। যিনি লিখালিখি করেন তাকে বলা হয় ব্লগার। ব্লগাররা প্রতিনিয়তই কন্টেন্ট লিখে তাদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে থাকে এবং ওয়েবসাইট ব্যাবহার কারীরা কন্টেন্ট গুলো পড়ে সেই কন্টেন্ট সম্পর্কে মন্তব্য করে থাকে।

ব্লগিং অনলাইনে ইনকাম করার জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে দাঁড়িয়েছে। কেউ শখের বসে ব্লগিং করে আবার কেউ প্রফেশন হিসেবে ব্লগিং বেঁছে নিয়েছে। একজন ব্লগার যদি কোয়ালিটি সম্পূর্ণ কন্টেন্ট তার ওয়েবসাইটে যুক্ত করে তাহলে ব্যাবহার কারীরা সেটা অনেক বেশি উপভোগ করে। যার ফলে ওয়েবসাইটের জনপ্রিয় তৈরি হতে থাকে। ওয়েবসাইট জনপ্রিয়তা পেয়ে গেলে ইনকাম এর কথা চিন্তা করতে হয় না।

একটা ওয়েবসাইট থেকে অনেক উপায়ে আয় করা যায়। তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গুগল অ্যাডসেন্স। আপনার ওয়েবসাইটে মনিটাইজেশন অন করার মাধ্যমে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করতে পারবেন। বিভিন্ন কোম্পানির সাথে চুক্তি বদ্ধ হয়েও তাদের সার্ভিস আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যেম প্রচার করে আয় করতে পারবেন।

এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয়

সহজ ভাষায় বলতে গেলে অনলাইনের মাধ্যমে অন্যের প্রোডাক্ট সেল করে ইনকাম করার মাধ্যমকে এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। এটি অনলাইন থেকে ইনকাম করার আধুনিক জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। অনেক কোম্পানির তাদের জনপ্রিয়তা এবং পণ্যের সেল বাড়ানোর জন্য এই মাধ্যমটি চালু করেছে। আপনি যদি তাদের প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিতে পারেন তাহলে বিক্রিত পন্যের মূল্য থেকে আপনাকে ওই কোম্পানি কমিশন দিবে।

যদি প্রোডাক্ট এর দাম ১০০০ টাকা এবং কমিশন ১০% থাকে তাহলে আপনি এটা সেল করার মাধ্যমে ১০০ টাকা আয় করতে পারবেন। তবে সকল প্রোডাক্ট এর কমিশন এক থাকবে না। কাজ করার আগে যাচাই করে যে পণ্যের কমিশন বেশি সেটা দেখে কাজ করতে পারবেন।

আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন। তাছাড়া ইউটিউব, ফেসবুক এর মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর পরিপূর্ণ দক্ষতা থাকে তাহলে খুব সহজেই এফিলিয়েট মার্কেটিং করে সফলতা পাবেন।

ছবি বিক্রি করে আয়

ছবি বিক্রি করা আয় কথাটি শুনতেই অবাক লাগে। মনের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়, সত্যিই কি ছবি বিক্রি করে কি ইনকাম করা যায়? হ্যাঁ! যায়। যদি অর্থপূর্ণ এবং ভালো মানের ছবি তুলতে পারেন তাহলে আপনি ছবি বিক্রি করে টাকা আয় করতে পারবেন।

এখন প্রশ্ন করতে পারেন অর্থপূর্ণ ছবি কি? এর উত্তরে আমি বলব আপনার ছবি যারা কিনবে তারা আপনার থেকে কেন কিনবে? আরো অনেক সেলার তো আছে, তাদের থেকে কেন নয়? কি ভাই! সমাধান পাচ্ছেন না? তাহলে অর্থপূর্ণ কথার মানেটা একটু ভাবুন।

ছবি সেল করার জন্য অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। সেই ওয়েবসাইট গুলোতে ছবি গুলো আপলোড করতে হবে। অনেকে রয়েছে তাদের ভিডিওর কন্টেন্ট অনুযায়ী ছবি ব্যাবহার করে থাকে। তাছাড়া বিভিন্ন কোম্পানি, কর্পোরেশন সংস্থা, ই-কমার্স সাইট এবং বিভিন্ন মার্কেটার এই ছবি গুলো কিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট থেকে কিনে নেয়। যার মাধ্যমে ছবি সেলাররা ইনকাম করে থাকে।

সার্ভে করে টাকা ইনকাম

সার্ভে মানে হচ্ছে জরিপ। কোন কিছুর উপর ভিত্তি করে তথ্য, মতামত জরিপ করাকে সার্ভে বলা হয়। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট এর চাহিদা কতটুকু সেটা যাচাই করার জন্য বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন করে থাকে। প্রশ্নের উত্তর গুলো আপনাকে দিতে হবে। তবে এই প্রশ্ন সবসময় প্রোডাক্ট ভিত্তিক হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। প্রশ্ন গুলো যে কোন বিষয়ের উপর হতে পারে।

একটু সহজ ভাষায় বলি, মনে করেন কোন একটা কোম্পানি ৪ মাস আগে একটি প্রোডাক্ট বাজারে ছেড়েছে। বর্তমান সময়ে সেই প্রোডাক্ট এর চাহিদা কতটুকু, ব্যাবহার কারীরা এটি ব্যাবহার করে কতটুকু সন্তুষ্ট। এই বিষয় গুলো কোম্পানির জানা খুবই প্রয়োজন। কারণ তারা এটিকে নিয়ে আরো বড় পরিকল্পনা করছে। আর তাই তারা তাদের প্রোডাক্টকে ঘিরে বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন তৈরি করে সার্ভের মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর নিয়ে থাকে। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

সার্ভের কাজ করার জন্য কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে। বড় বড় সংস্থা, কোম্পানি সেই ওয়েবসাইট গুলোতে সার্ভের কাজ গুলো এবং টাকা দিয়ে থাকে। সেই টাকা থেকে কিছু অংশ ওয়েবসাইট গুলো রেখে দেয়, আর বাকি টাকা যারা সার্ভের কাজটা করে থাকে দিয়ে দেয়। এভাবাই মূলত সার্ভে কাজ করা হয়। সার্ভে কাজ করে হিউজ পরিমাণ টাকা আয় করা যায়। 

সার্ভে করার জন্য কয়েকটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে। যেই ওয়েবসাইট গুলোতে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রশ্ন গুলো করে থাকে। আর আমাদেরকে এই ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে কাজ গুলো করতে হয়। 

গ্রাফিক্স ডিজাইন করে আয়

অনলাইন থেকে ইনকাম করার উপায় জানুক বা না জানুক গ্রাফিক্স ডিজাইন নামটা কিন্তু সকলেই জানে। ছোট বেলা থেকে এই নামটা সবাই শুনে আসতেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইনটা আসলে কি? গ্রাফিক্স ডিজাইন বলতে ছবি আঁকা, বিভিন্ন রকমের ডিজাইন করা, লগো তৈরি করা, ব্যানার তৈরি করা ইত্যাদিকে বুঝায়। এটি একটি ক্রিয়েটিভ ক্যাটাগরি। টাকা ইনকাম করার জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।

অনলাইনে প্রতিটি কাজেই গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ছোয়া আছেই। আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে সেখানে লগো লাগবে, বিজ্ঞাপণ দিতে চান তাহলে বিজ্ঞাপণ তৈরি করতে গ্রাফিক্স ডিজাইন লাগবে। লগো, বই কভার, ম্যাগাজিন, অ্যালবাম কভার, ব্যানার বিজ্ঞাপণ, টি শার্ট, অ্যানিমেশন, বিয়ের কার্ড থেকে শুরু করে আরো অনেক কাজে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর প্রয়োজন।

যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদার কথা বলি তাহলে বলতে হবে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর চাহিদা কোনো দিন শেষ হবে না। এটার চাহিদা প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীও কোম্পানিতে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া আপনার ডিজাইন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে আয় করতে পারবেন।

ওয়েব ডিজাইন শিখে আয় করুন

ওয়েব ডিজাইন বলতে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে, হেডার, মেনু বার, সাইট বার কোথায় দিতে হবে, টেক্সট এর কালার কেমন হবে এই বিষয় গুলোকে  বুঝায়। এখন আপনি মিটআপ আইটি ভিসিট করতেছেন। এই ওয়েবসাইটে আপনি যা যা দেখতে পাচ্ছেন সবই ওয়েব ডিজাইন এর কাজ।

একটু সহজ ভাবে বলি, আমরা সকলেই কিন্তু ফেসবুক এবং ইউটিউব ব্যাবহার করি। ফেসবুক দেখতে যে রকম লাগে ইউটিউবকে দেখতেও কি এক লাগে? না! দুইটা দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা। তেমনি মেসেঞ্জার, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম দেখতেও কিন্তু এক রকম না। এগুলোকে আলাদা লেআউট বা আলাদা ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া সবগুলোর কালার দেখতেও কিন্তু এক না। আর এই কাজটাকে ওয়েব ডিজাইন বলে। মূলত ওয়েব ডিজাইন হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের বাহ্যিক রুপ।

যারা ওয়েবসাইট তৈরি করতে চায়, তারা তাদের পছন্দের উপর ভিত্তি করে একজন ওয়েব ডিজাইনার এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করে। বায়ার এর চাহিদা অনুযায়ী ওয়েবসাইট তৈরি করতে ওয়েব ডিজাইন এর কাজ জানতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন এর চাহিদা ব্যাপক। তাছাড়া ওয়েব টেমপ্লেট তৈরি করে সেল করে আয় করতে পারবেন। 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে আয় করুন

একজন ওয়েব ডিজাইনার যখন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে তখন তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে। আর এই স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক করে তোলার কাজই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। একদম সহজ ভাষায় বললে ওয়েবসাইটে প্রাণ সঞ্ছার করার মাধ্যমই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। 

চলুন একটু সহজ ভাবে বুঝার চেষ্টা করি, আমরা যখন কোন একটা ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট তৈরি করি তখন আমাদেরকে ইউজার নেম, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিতে হয়। উদাহরণ হিসেবে ফেসবুককে বলতে পারি। একাউন্ট তৈরি করার পর লগ ইন করতে চাইলে ইমেইল অথবা ফোন নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে দিলেই হয়। কিন্তু যদি ইমেইল অথবা ফোন নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড মনগড়া দিয়ে দেই তাহলে কিন্তু লগ ইন হয় না। একটা এলার্ট দিয়ে থাকে পাসওয়ার্ড বা ফোন নাম্বার ভুলের জন্য।

এখন একটু ভাবেন আমরা অ্যাকাউন্ট তৈরি করার সময় যে ইনফরমেশন গুলো দিলাম এগুলো কিভাবে একটা ওয়েবসাইটের ডাটাবেজে গেলো। আবার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করার সময় যদি ভুল ইনফরমেশন দেওয়া হয় তাহলে এলার্ট দেখায় যে এটা ভুল। আমি যে ইনফরমেশন দিয়েছি সেটা ভুল নাকি সঠিক এটা তো আমি জানি কিন্তু এই ওয়েবসাইট কিভাবে জানে। সঠিক হলে লগিন করতে দেয়, আবার ভুল হলে লগইন করতে দেয় না। এটাই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট এর কাজ। ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট এর কাজ গুলো ব্যাবহার কারীরা দেখতে পায় না। এগুলো ওয়েবসাইটের ব্যাকেন্ডে হয়ে থাকে। আশা করি ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট এর কাজ সম্পর্কে অল্প হলেও আইডিয়া এসেছে।

ওয়েব ডিজাইন এর যেমন চাহিদা রয়েছে তেমনি ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট এর ও আছে। কারণ একটা ওয়েবসাইট ডিজাইন করে সেটাকে তো ডাইনামিক করতেই হবে। আর ওয়েবসাইট ডাইনামিক করতে হলে ওয়েব ডেভেলাপমেন্ট এর কাজ করতে হবে।

ডাটা এন্ট্রি করে আয়

ডাটা মানে হচ্ছেই তথ্যের সমাহার। যে কোন তথ্যকেই ডাটা বলা হয়। ডাটা বিভিন্ন টাইপের হতে পারে। আর এন্ট্রি মানে হচ্ছে সংরক্ষণ করা। অর্থাৎ ডাটা এন্ট্রি মানে হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ করা। কম্পিটারে ব্যাবহৃত কয়েকটি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই ডাটা এন্টির কাজ গুলো করা হয়।

ডাটা এন্ট্রি কাজ সম্পর্কে একটু ধারণা দেই। মনে করেন, আমি আপনাকে একটি ইমেইজ দিলাম। সেখানে অনেক লিখা আছে। সেই লিখা গুলো আমাকে একটি টেক্সট ফাইলে লিখে দিতে হবে। এটা হচ্ছে ডাটা এন্ট্রি। আপনাকে একটা অডিও ফাইল দিলাম। সেই অডিও ফাইলে যা আছে সেটা টেক্সট ফাইলে লিখে দিতে হবে। এটাও ডাটা এন্ট্রির কাজ। এগুলো হচ্ছে ডাটা এন্ট্রির একদম সহজ উদাহরণ। আপনাদের আইডিয়া দেওয়ার জন্য এগুলো বলা। ডাটা এন্ট্রির পরিধি অনেক ব্যাপক।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর হিসেবে দেশীও কোম্পানিতে জব পেয়ে যাবেন। ফ্রিল্যন্সিং মার্কেটপ্লেসে অনেক বড় বড় কোম্পানি গুলো আপনাকে ঘন্টা হিসেবে হায়ার করবে। এমনও হতে পারে পার্মানেন্টলি আপনাকে তাদের কোম্পানির জন্য রেখে দিবে।

ই-কমার্স সাইট থেকে আয়

ই-কমার্স মানে হচ্ছে ই-বাণিজ্য। অর্থাৎ অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বা সার্ভিস বিক্রয় করার মাধ্যমকেই ই-কমার্স বলে। ই-কমার্স ব্যাবসা করতে হলে একটি ওয়েবসাইটের প্রয়োজন পড়বে। কারণ ওয়েবসাইটে সকল প্রকার পণ্য বা প্রোডাক্ট আপলোড করে সেগুলো সেল করার মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যাবসা করতে হবে।

একটা ওয়েবসাইটকে মুদির দোকান মনে করতে পারেন। একটি মুদির দোকানে যেইভাবে জিনিস পত্র সাজানো থাকে, ঠিক তেমনি একটি ওয়েবসাইটে বিভিন্ন পণ্য আপলোড করে রাখতে হয়। ওয়েবসাইট ব্যাবহার কারীরা যখন ওয়েবসাইট ভিসিট করার পর কোন পণ্য পছন্দ করে তাহলে সে সেটা কিনে নিবে।

ই-কমার্স ব্যাবসা করে অনেক পরিমাণ অর্থ আয় করা যায়। একটা অফলাইন ব্যাবসায় যতটুকু আয় করা যায় তার থেকে বেশি ই-কমার্স ব্যাবসা করে আয় করা সম্ভব।

ড্রপশিপিং করে আয় করুন

ড্রপশিপিং হচ্ছে মাছের তেল দিয়ে মাছ বাঁজা। বিষয়টা বুঝতে পারছেন না? বুঝিয়ে বলছি! আপনাকে আপনার বন্ধু বলছে যে তার মোবাইলটা ৫০০০-৬০০০ টাকা মধ্যে বিক্রি করে দিতে। আপনি সেই মোবাইলটা ৭০০০ টাকা বিক্রি করেছেন। এখান ১০০০ টাকা আপনার লাভ। এটাই হচ্ছে ড্রপশিপিং। অনলাইনে আয় করার উপায় হিসেবে ড্রপশিপিং হচ্ছে একটি জনপ্রিয় মাধ্যম।

ড্রপশিপিং করার জন্য একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে। সেই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন প্রোডাক্ট এবং এর বর্ননা লিখে আপলোড করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইট ব্যাবহার কারীরা যদি কোন প্রোডাক্ট পছন্দ করে তাহলে সে সেটা কিনার জন্য অর্ডার করবে। যেহেতু আপনার নিজস্ব কোন প্রোডাক্ট নেই সে কারণে অর্ডারকৃত পণ্যটি অন্য জায়গা থেকে কিনে দিতে পারবেন।

বিনা পুঁজিতে ব্যাবসা করার জন্য এটি হতে পারবে সবচেয়ে উত্তম উপায়। ড্রপশিপিং ব্যাবসা করে অনেক পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা যায়। তাছাড়া ড্রপশিপিং এর পাশাপাশি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স যুক্ত করেও আয় করা যায়।

পিটিসি সাইট থেকে ইনকাম

পিটিসি এর পূর্ণরূপ হল পেইড টু ক্লিক। পিটিসি সাইট বলতে সেই ওয়েবসাইট গুলোকে বুঝায় যে ওয়েবসাইট গুলোতে বিজ্ঞাপণ দেখলে এবং বিজ্ঞাপণে ক্লিক করলে টাকা দেয়। বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দাতা পিটিসি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে তাদের ওয়েবসাইটকে প্রচার এবং ভিসিটর বাড়ানোর জন্য। বিভিন্ন কোম্পানিও রয়েছে পিটিসি সাইটে বিজ্ঞাপণ দিয়ে থাকে।

পিটিসি সাইটে বিজ্ঞাপণের সাথে বিভিন্ন সার্ভের কাজও দেওয়া হয়ে থাকে। বিজ্ঞাপনের মধ্যে কিছু প্রশ্ন থাকবে সেগুলো সিলেক্ট করে উত্তর দিতে হবে। সার্ভে গুলো সম্পূর্ণ করতে ৫ থেকে ১০ মিনিট সময় লাগে। তবে অনেক ক্ষেত্রে এর থেকে কম অথবা বেশি সময়ের হয়ে থাকে।

কয়েকটি জনপ্রিয় পিটিসি ওয়েবসাইট রয়েছে। যেগুলোতে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। তবে একটা কথা রাখবেন অনেক নতুন পিটিসি সাইট রয়েছে যেগুলো ভুয়া। আপনার মাধ্যমে কাজ করিয়ে বিনিময় হিসেবে টাকা দিবে না। তাই বিশ্বস্ত এবং জনপ্রিয় পিটিসি সাইটগুলোতে কাজ করবেন।

লিংক শর্ট করে আয় করুন

লিংক হচ্ছে অনলাইনে কোনো তথ্যের অ্যাড্রেসকে। অনেক সময় দেখে থাকবেন আপনাদের মেসেঞ্জার এ বন্ধুবান্ধব বিভিন্ন লিংক দিয়ে থাকে। সেখানে ক্লিক করলে হয় কোন ভিডিও প্লে হয় না হয় বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। এগুলোকেই লিংক বলে থাকে। কিন্তু এই লিংক গুলো অনেক বড় থাকার কারণে দেখেতে খারাপ দেখায়।

বড় বড় লিংক গুলোকে কনভার্ট করে ছোট করা যায়। আর এই কাজ করে আপনি আয় করতে পারবেন। লিংক শর্ট করার জন্য বিভিন্ন রকমের ওয়েবসাইট রয়েছে।

আশা করি অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় সম্পর্কে আপানারা পরিপূর্ণ একটি ধারনা পেয়েছেন।ধন্যবাদ সকলকে।

Next Post Previous Post